মানুষের ইতিহাস যুদ্ধের ইতিহাস। কিন্তু আমি একাত্তরে আমাদের ওপর পাকিস্তানি আর্মির গণহত্যা, গণধর্ষণের মত শুধুমাত্র "মুসলিমের হাতে মুসলিমের রক্তপাত"-এর কথা বলছি যার সাথে "মুসলিম উম্মাহ" তত্ত্ব জড়িত। কোরানে মুসলিম ঐক্যের উপরে জোর দেয়া হয়েছে - সূরা ইমরান: ১০৩, আনফাল: ৪৬, হুজরাত: ১০ ইত্যাদি। হাদিসেও আছে "রাসুল (সা) বলেছেনঃ তুমি মু'মিনদের পারস্পরিক দয়া ভালবাসা ও সহানূভূতি প্রদর্শনে একটি দেহের ন্যায় দেখতে পাবে। যখন দেহের একটি অঙ্গ রোগে আক্রান্ত হয়, তখন শরীরের সমস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ রাত জাগে এবং জ্বরে অংশগ্রহণ করে" – সহি বুখারী হাদিস ৫৫৮৬ ও অন্যান্য হাদিস কেতাব।
কিন্তু বাস্তবে "মুসলিম উম্মা ভাই ভাই"- নয় এবং অনেক ক্ষেত্রেই পরস্পরের দুশমন। সম্প্রতি (1) ফিলিস্তিনে ইসরাইলের গণহত্যায় মধ্যপ্রাচ্যের তৈল-সম্রাটদের নীরবতা, (2) একাত্তরে আমাদের উপর পাক আর্মির ব্যাপক গণহত্যা গণধর্ষণ, (3) একাত্তরে মজলুম আমাদের প্রতি নয় বরং জালিম পাকিস্তানের প্রতি মুসলিম বিশ্বের সর্বাত্মক সমর্থন, (4) সুদান-সোমালিয়ায় বহুবছর ধরে মুসলিমে মুসলিমে রক্তাক্ত গৃহযুদ্ধ, (5) সৌদি আক্রমণে ক্ষতবিক্ষত ইয়েমেনে দুর্ভিক্ষ, (6) ২০১৪ সালে তালিবানের আক্রমণে স্কুলে ১৩২ বাচ্চা সহ ১৪৫ জন খুন, (7) ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ - পাকিস্তানি বিমান হামলায় আফগানিস্তানে ৮০+জন নিহত, (8) আপডেট ১৬ মার্চ ২০২৬ - পাকিস্তানের বোমা হামলায় আফগান হাসপাতালে নিহত ৪০০+ আহত ২৫০, তাও আবার শবে কদরের রাতে। এখনো ভারতে দরিদ্র "পাসমান্দা" (পিছিয়ে পড়া) মুসলিমদের প্রতি আশরাফ (উচ্চ-বর্ণ) মুসলিমদের ব্যবহার অত্যন্ত অপমানজনক। অনেক ক্ষেত্রে তাদেরকে মসজিদে সামনের সারিতে নামাজ পড়তে দেয়া হয়না। পাসমান্দা মুসলিম মাহাজ (প্রান্তিক মুসলিম ফ্রন্ট)-আন্দোলনের সাফল্য কামনা করছি। Pasmanda Muslim Mahaz - https://en.wikipedia.org/wiki/Pasmanda_Muslim_Mahaz
খেলাফতের ইতিহাস খুলুন, জ্ঞান বিজ্ঞানের অবিশ্বাস্য উন্নতির পাশাপাশি চলেছে অজস্র যুদ্ধ, সেগুলোর বেশিরভাগই মুসলিমের হাতে মুসলিম হত্যা। হাররা যুদ্ধ (Battle of Harrah) - মদীনাতে এজিদ-সৈন্যদের "তিন দিনের স্বাধীনতা"-য় নৃশংস গণহত্যা, সাথে গণধর্ষণে এক হাজার যুদ্ধশিশুর জন্ম - Al-Samhudi further claimed that as a result of the alleged rape of Medinan women by Ibn Uqba's troops, 1,000 illegitimate children were later born by them as a result.[33]" - https://en.wikipedia.org/wiki/Battle_of_al-Harra
শত্রুতার জন্য হানাফি-শাফিদের মধ্যে বিয়ে বন্ধ ছিল ("দি ইভোলিউশন অফ ফিকাহ পৃষ্ঠ ১৩৯), এমনকি এক মাজহাবের লোক অন্য মাজহাবের ইমামের পেছনে নামাজ পর্যন্ত পড়ত না - তারা কাবার চার কোনায় চার মিম্বর বানিয়ে নিজেদের ইমামের পেছনে নামাজ পড়তো - পৃষ্ঠা ১০৭।
ইমাম শাফি'কে ইমাম ফিতিয়ানের অনুসারীরা এত নির্দয় ভাবে পিটিয়েছিল যে তাতেই ক'দিন পর তিনি মারা যান - "দি ফোর ইমামস"- মোহাম্মদ আবু যাহরা পৃষ্ঠা ২৭৩।
মাবিয়ার অনুসারীরা আলি (রাঃ)-কে সমর্থন করার জন্য ইমাম নাসাঈ-কে এত নির্দয় ভাবে পিটিয়েছিল যে তাতেই ক'দিন পর তিনি মারা যান।
খলিফারা আমাদের চার শারিয়া-ইমামের ওপর মর্মান্তিক অত্যাচার করেছিল - ইমাম আবু হানিফাকে জেলখানায় পিটিয়ে খুন করা হয়, ইমাম তাইমিয়াকেও খলিফা জেলখানায় হত্যা করে।
খলিফা হারুনুর রশিদ সাম্রাজ্য দুই ভাগ করে দিয়েছিলেন দুই ছেলে আল মামুন আর আল-আমিনকে। কিন্তু মামুন তার আপন ভাই আমিনকে খুন করে পুরো সাম্রাজ্যের খলিফা হয়ে বসেছিলেন - "চতুর্থ ফিৎনা - একটি পারিবারিক সংঘর্ষ যাহা একটি খিলাফতকে পঙ্গু করিয়া দিয়াছিল" - "The Fourth Fitna: A Family Feud that Crippled a Caliphate" :- https://warfarehistorynetwork.com/article/caliph-harun-al-rashid/
রসুলের (সা) বিপ্লবের সম্পূর্ণ বিপরীত "প্রতিবিপ্লব" প্রতিষ্ঠিত করেছে ইসলাম বিরোধী "নৃশংস অত্যাচারী রাজবংশ":-
"হযরত আলী যথাসাধ্য চেষ্টা করিলেন ইসলামের রাজনৈতিক শ্রেষ্ঠত্বকে রক্ষা করিতে। কিন্তু তাঁহার মৃত্যুও প্রতিবিপ্লবকে থামাইতে পারিল না। অবশেষে রসুলের প্রতিষ্ঠিত খিলাফতের কাঠামো ধ্বংস হইয়া গেল এবং সেই স্থলে প্রতিষ্ঠিত হইল নৃশংস অত্যাচারী রাজবংশ (Tyrant Kingdom)। এইভাবে শাসন ক্ষমতা অধার্মিকদের (Impious) হাতে চলিয়া গেল....... শাসন ক্ষমতা দখলের পর জাহেলিয়াত ক্যান্সারের মত মুসলিম উম্মাহর শরীর ভক্ষণ করিতে লাগিল " - 'A Short History of the Revivalist Movement of Islam' - Mawdudi - page 27।

- আমেরিকা-ক্যানাডা ভিত্তিক "নর্থ আমেরিকান ফিকাহ কাউন্সিল"-এর চেয়ারম্যান, ''ইসলামিক সেমিনারি অফ আমেরিকা''র ডীন, টেক্সাসের "দি ইস্ট প্লেনো ইসলামিক সেন্টার"-এর রেসিডেন্ট স্কলার, "আল মাগরিব ইনস্টিটিউট"-এর প্রাক্তন ডীন ও রোডস কলেজের রিলিজিয়াস স্টাডি ডিপার্টমেন্টের প্রাক্তন শিক্ষক শেখ ডক্টর ইয়াসির কাধী বলেছেন:- ১৫ মিনিট ১৬ সেকেন্ড থেকে (Search – “Thoughts on Re-Establishing a Khilafa | Shaykh Dr Yasir Qadhi”: - https://www.youtube.com/watch?v=eoijH_j7Fk4
"অতীত সম্বন্ধে আমাদের রঙিন ধারণা খলিফারা ছিলেন ফেরেশতা…… এটা সত্যি নয়…… আন্দালুসিয়ান ইতিহাস বলছি। সেখানে যুদ্ধের বেশিরভাগ ছিল মুসলিমদের মধ্যে ক্ষমতা পাবার যুদ্ধ। আমি চ্যালেঞ্জ করছি, কেউ এটাকে ভুল প্রমাণ করতে পারবে না। বেশিরভাগ খলিফা সাতশ’ বছর ধরে পরস্পরের সাথে যুদ্ধ করেছে, ......ভাই ভাইয়ের সাথে যুদ্ধ করেছে........... আন্দালুসিয়াতে মুসলমানদের উপর গণহত্যার সময় তারা উসমানিয়া খলিফার কাছে ভিক্ষা চেয়ে চিঠি লিখেছিল – ‘আমাদেরকে হাজারে হাজারে হত্যা করা হচ্ছে’ - কিন্তু তিনি কিছুই করেননি। লক্ষাধিক মুসলিম বিতাড়িত হয়েছে, লক্ষাধিক খুন হয়েছে, বাচ্চাদের ধরে নিয়ে খ্রিস্টান বানানো হয়েছে, কিছুই করা যায়নি। খিলাফত থাকাকালেই ক্রুসেডে আমরা আল আকসা মসজিদ হারিয়েছিলাম, এবং সেটা আবার জয় করেছিলাম যখন খিলাফত ছিল না - সালাহউদ্দিন আইয়ুবী খিলাফত থেকে নয় বরং খিলাফত থেকে বের হয়ে নিজের আলাদা রাজ্য থেকে যুদ্ধ করেছিলেন........."।
- ইমাম গাজ্জালীর বেদনার্ত চিঠি:- “বাদশাহদের প্রায় সব জমিজমা ও প্রাসাদ অবৈধভাবে অর্জিত। এসব সুলতানকে মুখ দেখানো বা তাহাদের মুখ দেখা উচিত নহে। তাহাদের অত্যাচারের জন্য তাহাদিগকে ঘৃণা করা উচিত, তাহাদের অস্তিত্বকেই নিন্দা করা উচিত, তাহাদের প্রশংসা করা উচিত নহে...তাহাদের রাজপ্রাসাদ ও সাজ-পোশাককে নোংরা ও অনৈসলামিক ঘোষণা করা উচিত”... তিনি সকল মন্ত্রীদিগকে চিঠিতে লেখেন যে, “স্বৈরতন্ত্রের অত্যাচার সকল সীমা অতিক্রম করিয়াছে। আমি এইস্থান ত্যাগ করিয়া যাইতেছি যাহাতে স্বৈরতন্ত্রের এই নিষ্ঠুর ও নির্লজ্জ কর্মকাণ্ড আমাকে দেখিতে না হয়” – মওলানা মওদুদী - “এ শর্ট হিস্ট্রি অব্ দ্য রিভাইভালিস্ট মুভমেণ্ট ইন্ ইসলাম” - পৃষ্ঠা ৬২-৬৩।

- “ইসলামী রাষ্ট্র (খেলাফত) ও শারিয়া আইন, এগুলি অলীক কল্পনা” - ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান "জয়তুনা ইন্সটিটিউট"-এর প্রতিষ্ঠাতা বিখ্যাত আলেম শায়খ হামজা ইউসুফ :- https://www.youtube.com/watch?v=dUe5OsGbhM0
4. আব্বাসী খেলাফত, ইসলামের আরেকটি কালো অধ্যায়; - https://www.youtube.com/watch?v=KkpIMQfU6TA 
5. উস্তাদ মুসা আল হাফিজ - "ইসলামী রাজনীতির আদ্যোপান্ত" - (১) ৬মিনিট ২০ সেকেন্ড থেকে:- বেশীর ভাগ খলিফা জালিম ফাসেক, সুন্নাহ ও কিয়ামের ব্যাপারে দায়িত্বহীন, (২) ৭ মিনিট ৩০ সেকেন্ড থেকে - মুসলিম উম্মাহর ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি রক্তপাত হয়েছে খিলাফত নিয়ে - https://www.youtube.com/watch?v=eoijH_j7Fk4
অর্থাৎ "মুসলিম উম্মাহ" তত্ত্ব কিতাবে আছে বাস্তবে নেই - কথায় বলে "কাজীর গরু দলিলে আছে কিন্তু গোয়ালে নাই"।
সাল মুসলিমের বিরুদ্ধে মুসলিমের যুদ্ধ
৬৬১ - আলী (রা) নিহত - সিরিয়ায় উমাইয়া খেলাফত প্রতিষ্ঠা,
৬৮০ - কারবালায় হোসেন (রা) ও পরিবারের অনেকে নিহত,
৬৮৩ - হাররা যুদ্ধ (Battle of Harrah) - মদীনাতে এজিদ-সৈন্যদের "তিন দিনের স্বাধীনতা"-য় নৃশংস গণহত্যা, গণধর্ষণে এক হাজার যুদ্ধশিশুর জন্ম , পরে মক্কায়ও গণহত্যা ও কাবা'র ক্ষতি - "The number of Medinan casualties incurred during the battle and immediate aftermath range from 180 to 700 members of the Ansar and Quraysh, and 4,000 to 10,000 other Medinans.[26] Al-Samhudi further claimed that as a result of the alleged rape of Medinan women by Ibn Uqba's troops, 1,000 illegitimate children were later born by them as a result.[33]" - https://en.wikipedia.org/wiki/Battle_of_al-Harra
৬৮৪ - মক্কায় আবদুল্লা বিন জুবায়ের-এর খলিফা হবার ঘোষণা, র্মাজ রাহাত-এর যুদ্ধ,
৬৮৭ - ৬৯২ - একসাথে তিন খেলাফতের উদ্ভব - মক্কায় জুবায়ের, কুফায় মুখতার ও সিরিয়ায় এজিদের বংশধর আবদুল মালিক। রক্তাক্ত যুদ্ধে মুখতার ও জুবায়ের নিহত, কুখ্যাত নৃশংস হত্যকারী হাজ্জাজ বিন ইউসুফ সাহাবী সহ লক্ষ লক্ষ মুসলমানকে হত্যা করে,
৬৯৫ - জাজিরা, আহয়াজ ও কারুন-এর তিনটে যুদ্ধ
৭০২ - ইরাকে আশাথ বিদ্রোহ, দায়রুল জামিরা’র যুদ্ধ
৭০২ - ৭৩৭ - মুসলিম সৈন্যদের বহু দেশ জয় ও ফ্রান্সের সীমানায় পরাজয়, মুসলিমের গৃহযুদ্ধ শুরু,
৭৪০ -(ক) ইরাবে শিয়া বিদ্রোহ। (খ) উত্তর আফ্রিকায় বারবার বিদ্রোহ
৭৪৩ - খোরাসানে শিয়া বিদ্রোহ
৭৪৪ - বিদ্রোহীদের অভ্যুত্থানে খলিফা ২য় ওয়ালিদ নিহত
৭৪৫ - খোরাসানে আবার শিয়া বিদ্রোহ, খারাজী দ্বারা কুয়া ও মসুল দখল
৭৪৬ - খোরাসানে আবু মুসলিমের বিদ্রোহ
৭৪৯ - ইস্পাহান ও নিহাওয়ান্দ-এর যুদ্ধ
৭৫০ - (ক) আব্বাসীয়-দের রক্তাক্ত গণহত্যায় উমাইয়া খেলাফত উচ্ছেদ, (খ) যাব-এর রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ
৭৫৫ - খোরাসানে আবার বিদ্রোহ
৭৬২ - ইব্রাহিম ও নাফ্উজ জাকিয়া-র নেতৃত্বে শিয়া বিদ্রোহ
৭৬৭ - সিজিলমাসা-য় খারেজী শাসনের শুরু
৭৭২ - উত্তর আফ্রিকায় জানবি-র যুদ্ধ, মরক্কোতে বিদ্রোহী রুস্তমিদ খেলাফত শুরু
৭৮৮ - মগরেব-এ ইদ্রিসিদ খেলাফত শুরু
৭৯৯ - খাজার-দের বিদ্রোহ দমন
৮০০ - উত্তর আফ্রিকায় আঘলাবিদ খেলাফত শুরু
৮০৩ - ইমাম জাফর বার্মাকি-র খুন
৮১৪ - খলিফা হারুন রশীদের মৃত্যুতে দুই পুত্র আল্ আমিন ও আল্ মামুনের যুদ্ধ, আল্ আমিন নিহত
৮১৫ - ইবনে তুবা-র নেতৃত্বে শিয়া বিদ্রোহ, কয়েক বছর যুদ্ধের পর সেনাপতি হুরমুজান নিহত
৮২০ - খোরাসান-এ তাহিরিদ খেলাফত শুরু
৮২৭ - মুতাজিলা-দের সাথে অন্যান্যদের বিরোধ শুরু
৮৩৭ - জাট (ভারতের নয়) বিদ্রোহ
৮৩৮ - আজারবাইজান-এ বাবেক বিদ্রোহ দমন
৮৪৩ - তাবারিস্তান-এ মাজাইর বিদ্রোহ
৮৬১ - বিদ্রোহী অভ্যুত্থানে খলিফা মুতাওয়াক্কিল নিহত
৮৬৪ - তাবারিস্তান-এ যায়দি খেলাফত শুরু
৮৬৬ - খলিফা মুতাসিম বিতাড়িত, নূতন খলিফা মুতা’জ
৮৬৭ - সিস্তান-এ সাফারিদ খেলাফত শুরু
৮৬৮ - মিশরে তুলুনিদ খেলাফত শুরু
৮৬৯ - খলিফা মুতা’জ বিতাড়িত, নূতন খলিফা দাসী-পুত্র আল্ মুহতাদি,
৮৭০ - তুর্কী বিদ্রোহে আল্ মুহতাদি নিহত, নূতন খলিফা আল্ মুতামিদ,
৮৭৩ - রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে তাহিরিদ খেলাফতের উচ্ছেদ,
৮৭৪ - দক্ষিণ ইরাকে জাঞ্জ বিদ্রোহ,
৮৯১ - কেন্দ্রীয় খেলাফত অস্বীকার করে ইয়েমেন, বাহরায়েন ও উত্তর আফ্রিকায় কারমাতিয়ান শাসনের উদ্ভব,
৮৯৭ - কারমাতিয়ান দ্বারা বসরায় গণহত্যা,
৯০৫ - মসুল ও জাজিরা-য় হামদানিদ খেলাফত শুরু, মিশরে তুলুনিদ খেলাফতের উচ্ছেদ,
৯০৮ - সামানিদ খেলাফত দ্বারা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে সাফারিদ খেলাফতের অবসান........
ইত্যাদি। যুদ্ধ করে ওসমানীয়া খেলাফতকে ভেঙেছিল সালাফি মুসলিমরাই, প্রতিপক্ষ মুসলিমদের হাতে খুন হয় দু পক্ষের অগণিত মুসলিম। আর, একাত্তরে আমাদের ওপর পাক আর্মীর ব্যাপক গণহত্যা গণধর্ষণ তো আমাদের চাক্ষুষ অভিজ্ঞতা।
বটমলাইন - কেতাবে থাকলেও বাস্তবে মুসলিম উম্মাহ ভাই-ভাই নয় বরং অনেক ক্ষেত্রেই পরস্পরের মারাত্মক দুশমন।
*********************************************
যে কোনো ইতিহাসের মতো এখানেও বিভিন্ন দলিলে স্থান ও সালের কিছু পার্থক্য দেখা যায়। এর সাথে দেখে নিন "শারিয়া – অতীতের দলিল" অধ্যায়:- http://www.shariakibole.com/%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%be-%e0%a6%85%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b2/
RELATED -
- মুসলিম উম্মাহ ও অপ্রতিহত মোদী - https://hasanmahmud.com/index.php/articles/islamic-bangla/152-2019-09-26-14-27-29