• Home
  • Articles
  • Islamic :: Bangla
  • শারিয়া আইনও প্রধানত: মানব রচিত - হাসান মাহমুদ

শারিয়া আইনও প্রধানত: মানব রচিত - হাসান মাহমুদ

শারিয়া আইনও প্রধানত: মানব রচিত - হাসান মাহমুদ

হানাফী শাফি আইনের প্রতিটি কেতাবে আইন আছে কয়েক হাজার করে। কোরানে প্রত্যক্ষ আইন আছে ৪ / ৫ টা, হাদীসে কত হবে? ২০০ ? ৫০০-ও যদি ধরি তারপরেও হাজার হাজার শারিয়া আইন মানব রচিত। ওগুলো এসেছে তাবারী-সীরাত সহ অজস্র তফসির গ্রন্থ থেকে, অর্থাৎ ফিকাহ ("মানুষের বুঝ") থেকে, ফকীহরা যেভাবে বুঝেছেন তা থেকে। যেহেতু মানুষে মানুষের বুঝ আলাদা, তাই তাঁদের মতামতও আলাদা হতে বাধ্য এবং আমরা সেজন্যই একই বিষয়ে ভিন্ন ও সাংঘর্ষিক তফসির পাই। কাজেই সেগুলোর ভিত্তিতে আইন বানালে তা মানব-রচিতই বটে। সেজন্যই একই মামলায় বিভিন্ন মাজহাবে বিভিন্ন রায় হয়। যেমন কুমারী বা বিধবা গর্ভবতী হলে মালিকি আইনে চাবুক বা মৃত্যুদন্ড, কিন্তু হানাফী আইনে বেকসুর খালাস কারণ শুধুমাত্র গর্ভধারণকে হানাফী আইন ব্যভিচারের প্রমান হিসেবে ধরেনা। এ বিষয়ে আরো প্রমাণ :- "মাজহাবের বিরুদ্ধে মাজহাব !!" - https://hasanmahmud.com/index.php/articles/islamic-bangla/318-2024-11-25-14-41-55

********************************************

তিন খন্ডের বিধিবদ্ধ ইসলামী আইন কেতাবের প্রকাশক বাংলাদেশ ইসলামী ফাউন্ডেশন। এই গবেষণাভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ কেতাব সংকলন করেছেন ছয় জন বিজ্ঞ আলেমের কমিটি, যার মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশের পুরো আলেম সমাজের শ্রদ্ধা-পুরুষ ইসলামিক স্কলার শাহ আবদুল হান্নান। কমিটির সভাপতি ও সদস্যরা: -

তিন খন্ডের বিধিবদ্ধ ইসলামী আইন কেতাবের প্রকাশক বাংলাদেশ ইসলামী ফাউন্ডেশন। এই গবেষণাভিত্তিক গুরুত্বপূর্ণ কেতাব সংকলন করেছেন ছয় জন বিজ্ঞ আলেমের কমিটি, যার মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশের পুরো আলেম সমাজের শ্রদ্ধা-পুরুষ ইসলামিক স্কলার শাহ আবদুল হান্নান। কমিটির সভাপতি ও সদস্যরা: -

সভাপতি - বাংলায় আইন-গ্রন্থ রচনায় পুরোধা স্কলার, শতাধিক কেতাবের রচয়িতা, প্রেসিডেন্ট এরশাদ আমলে একুশে পুরস্কার প্রাপ্ত আইন-বিশেষজ্ঞ গাজী শামছুর রহমান, 

শাহ আবদুল হান্নান (প্রয়াত), 

আ. জ. ম. শামসুল আলম, 

মাওলানা উবায়দুল হক, 

মাওলানা মোহাম্মদ মূসা ও 

মাওলানা মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক।

কারো কোন প্রশ্ন থাকলে তাঁদের সাথে যোগাযোগ করা যেতে পারে।

*****************************************************************

Randomly selected Chapters

(1-) বিধিবদ্ধ ইসলামী আইন, তৃতীয় খণ্ড অধ্যায় ৪০: -  

**- আইন আছে ২২টি।

** আইনগুলি বানানো হয়েছে ১০৯ ইসলামি সূত্রের ভিত্তিতে।

**- সেই ১০৯টি ইসলামি সূত্রে কোরানের আয়াত মাত্র ১টি,

**- সহি সিত্তার হাদিস শূন্য।

অর্থাৎ ১০৯টি সূত্রের ১০৮টিই (৯৯%) ইজমা কিয়াস ভিত্তিক মানব-রচিত।

 

(2-) বিধিবদ্ধ ইসলামী আইন, তৃতীয় খণ্ড অধ্যায় ৪৯:-

**- আইন আছে ৩১টি,

**- আইনগুলি বানানো হয়েছে ১৪১টি ইসলামি সূত্রের ভিত্তিতে।

**- সেই ১৪১টি ইসলামি সূত্রে কোরানের আয়াত মাত্র ২টি,

**- সহি সিত্তার হাদিস ৭টি।

অর্থাৎ ১৪১টি সূত্রের ১৩২টিই (৯৩.৬%) ইজমা কিয়াস ভিত্তিক মানবরচিত।

হতে পারে সেটা কোরান হাদিসের উপদেশের ভিত্তিতে। কিন্তু তারপরেও সেগুলো মানব রচিত। উপদেশ অনেক গ্রন্থেই পাওয়া যায়, কবিতাতেও পাওয়া যায়। যেমন নিসা আয়াত ৩৬ – আল্লাহ অহঙ্কারীকে পছন্দ করেন না। কবিও বলেছেন -

মা কুরু ধন জন যৌবন গর্বং, হরতি নিমেষাৎ কালং সর্বং -

ধন-জন-যৌবনের গর্ব করো না - সময় সবকিছু চোখের পলকে হরণ করে নেবে- দক্ষিণ ভারতের কবি শঙ্করাচার্য্যের বই মোহমুদগর। 


Print